Beauty Of BD

গন্তব্য গাইড

আক্কাস লেক ভিউ পার্ক এন্ড রিসোর্ট

Akkas Lake View Park & Resort

জেলার সবচেয়ে আলোচিত নতুন বিনোদন কেন্দ্র — একটা বড় বিল ঘিরে সাজানো পার্ক। চাঁদের গাড়ি, টুইস্টার, স্পিডবোট, ফুলের উপত্যকা, কুঁড়েঘর — সব মিলিয়ে শুক্রবারে এখানে গ্রামের মেলার মতো ভিড় জমে, যারা গিয়েছেন তারাই বলছেন। প্রশংসাও আছে, সমালোচনাও — কেউ বলেন ভাড়াগুলো একটু বেশি, আবার প্রতিটা রাইড থেকে হাই ভলিউমে আওয়াজ আসতে থাকে, ওটাও বিরক্তিকর; তবু ঘুরে এসে অনেকের মুখেই একটা কথা শোনা যায় — পয়সা উসুল।

৳৬০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য

ইতিহাস ও গুরুত্ব

পার্কটা নতুন — একজন জানালেন, এখনো তৈরির কাজ চলছে, তাই কোথাও কোথাও অসম্পূর্ণ জায়গা চোখে পড়ে। বিলের মাছ মালিকের নিজস্ব খামারের — বিলটাই পার্কের প্রাণ। এলাকার মানুষের মুখে নামটা বেশিরভাগ সময় 'পার্ক ভিউ'ই।

কীভাবে যাবেন

চুয়াডাঙ্গা শহর (গুলশানপাড়া) থেকে অটো রিজার্ভ করলে ৳১৬০-তে পার্কের গেটে নামিয়ে দেবে — ফেরার পথের ভাড়া আলাদা দরদাম করতে হবে। কম খরচে যেতে চাইলে: বাস টার্মিনাল থেকে সরজগঞ্জ/১০ মাইল মোড়ের বাস, তারপর মেঠোপথ হেঁটে যেতে হবে। পার্কটা ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা সড়কের ওপর, সরজগঞ্জ বাজার আর ১০ মাইল বাজারের ঠিক মাঝামাঝি — সড়ক থেকে ডান দিকের মেঠোপথ ধরুন।

প্রবেশমূল্য

৳৬০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য

ঢোকার টিকিট মাথাপিছু ৳৬০, পাঁচ বছরের নিচের বাচ্চারা ফ্রি। রাইডের টাকা আলাদা — প্রতিটায় ৳৫০-৮০, স্পিডবোটে ৳৮০। কুঁড়েঘরের ভাড়া পুরো দিনের জন্য ৳৩,০০০, ২৪ ঘণ্টার জন্য ৳৫,০০০।

খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়

সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত — এই সময়ের বাইরে ঢোকা কিংবা থেকে যাওয়া নিষেধ।

ভালো সময়

বিকেল থেকে সন্ধ্যা — জ্বলে ওঠা রাইডগুলো আর লেকের ওপর সোনালি আলো, ছবি তুলতে এই সময়টাই সবচেয়ে ভালো। শুক্রবারে ভিড় হু হু করে বাড়ে; শান্ত-স্বচ্ছন্দ চাইলে সপ্তাহের অন্য কোনো দিন যান।

টিপস

  • টিকিটের টাকার বাইরে রাইডের খরচ আলাদা — পকেটে বাড়তি টাকা রাখুন।

  • পার্কের ঠিক পাশেই গভীর বিল — বাচ্চাদের হাত ধরে রাখুন।

  • পার্কের ভেতরে খাবার কেনার আগে দরদাম করে নিন।

  • স্কুল চলাকালে ইউনিফর্ম পরা ছাত্রছাত্রীদের ঢুকতে দেয় না — নিয়মটা আগে জেনে রাখুন।

  • কুঁড়েঘর নিতে চাইলে আগেই ফোন করে বুকিং করে রাখুন।

অবস্থান

এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।