গন্তব্য গাইড
আলিবাবা থিম পার্ক
Alibaba Theme Park
সুন্দরগঞ্জের তিস্তার পাড়ে, তিস্তা সোলার প্ল্যান্টের গা ঘেঁষে ৩৫ একরের থিম পার্ক — আলিবাবা চল্লিশ চোরের গল্প ঘিরে সাজানো, নকশাটা বিশাল তালগাছের মতো। আলাদিনের প্রদীপ, আজব গুহা, লাইফগার্ডসহ বাচ্চাদের পুল, মিনি রোপওয়ে, থ্রিডি আর্ট, তাজমহল-মসজিদে নববী-ঝুলন্ত বাগান-চীনের প্রাচীরের রেপ্লিকা। সন্ধ্যায় ৯৯ নামের ক্যালিগ্রাফি রঙিন আলোয় জ্বলে ওঠে — এটাই আসল খেলা।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
তিস্তাপাড়ের ধু-ধু বালুচরকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো একটা বিনোদন কেন্দ্র বানানোর উদ্দেশ্যেই এই পার্ক; মাত্র এক বছরেই বড় সম্প্রসারণ হয়েছে বলে বারবার আসা দর্শনার্থীরাই বলছেন।
কীভাবে যাবেন
সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়নের লাঠিশালা গ্রামে, সদর থেকে ১৮-২০ কিমি — রিজার্ভ অটো ৩০০-৪০০ টাকা, লোকাল অটো কম। রংপুর পাশ থেকে পীরগাছা-পাওটানা হয়ে খরচ মোটে ১৫০ টাকা; ঢাকা থেকে পীরগঞ্জে নেমে অটো। চেনার ঠিকানা — পাশেই তিস্তা সোলার প্ল্যান্ট।
প্রবেশমূল্য
৳১০০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
জনপ্রতি ১০০ টাকা — কয়েকজন দর্শনার্থীর একই হিসাব; দাম বদলাতে পারে। রাইড বেশিরভাগ ২০ টাকা, কোনোটা ৩০; গুহার টিকিট ৩০।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
নির্দিষ্ট সময়ের খোঁজ মেলেনি; রাতের আলো দেখার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকতে হয়।
ভালো সময়
বিকেল ৪টার পর — দিনের ভিউ আর রাতের আলো দুটোই পাবেন। শুক্রবার ও সরকারি ছুটিতে ভিড় অনেক; বৃহস্পতিবার ভালো।
টিপস
পথের কিছু অংশ ভাঙা — অতিরিক্ত সময় হাতে রাখুন।
বাচ্চাদের পুলের পানি নিয়ে অভিযোগ আছে — নামানোর আগে দেখে নিন।
ফুল ছিঁড়লে ২০০ টাকা জরিমানা — বাগানে হাত দেবেন না।
নৌকার রাইড আর আজব গুহা বাদ দিলেও ক্ষতি নেই — নিয়মিতদের রায়।
এক্সট্রা জামা, সানগ্লাস, পাওয়ার ব্যাংক নিন — বালুর রোদ সোজাসুজি নামে।
অবস্থান
এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।