
চর কুকরি মুকরি — ছবি — Sabuj Howlader · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
চর কুকরি মুকরি
Char Kukri Mukri
মেঘনা–তেতুলিয়ার মোহনায়, বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে ৮৬ বর্গকিমির বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য — বানর, শিয়াল, চিত্রাহরিণ, বনমোরগ আর পাখিদের রাজ্য। মূল কেন্দ্র নারিকেল বাগান — তাঁবু ফেলে ক্যাম্পফায়ার, ১০০ ফুটের ওয়াচ টাওয়ার, লাইট হাউস, ঝুলন্ত ব্রিজ, চেয়ারম্যান ঘের আর বাগানবাড়ি। শীতের রাতে বাগানে ক্যাম্পিং — এটাই অনেকের ভোলা ট্রিপের সেরা স্মৃতি।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
১৯৮৯ সাল থেকে বন বিভাগ এখানে ম্যানগ্রোভ লাগিয়ে আসছে — নতুন চরকে বন বানানোর বিরল উদাহরণ এটা। নামের পেছনে হাসির গল্প — 'কুকুর আর মেকুর বেশি ছিল বলে' লোকে বলে।
কীভাবে যাবেন
কচ্ছপিয়া ঘাট থেকে ট্রলার ৮০ টাকা (প্রায় ১ ঘণ্টা ১০–১৫ মিনিট) বা স্পিডবোট ২০০–২৫০ টাকা (১৫–৩০ মিনিট)। ঘাট থেকে রেস্ট হাউস অটো ১৫ টাকা/জন বা রিজার্ভ ১০০ টাকা; নারিকেল বাগান বাইক ৫০ টাকা/জন; খাল পার হতে ১০ টাকা করে নৌকা। ভোলা সদর থেকে ১২০ কিমি, চরফ্যাশন সদর থেকে ৩৫ কিমি।
প্রবেশমূল্য
প্রবেশমূল্য এখনো জানা যায়নি
অভয়ারণ্যে ঢোকার আলাদা টিকিটের কথা কেউ বলেননি — খরচ নৌকা, তাঁবু আর খাবারে।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
দিনের আলোতে বন ঘুরুন; তাঁবুতে রাত কাটাতে চাইলে আগেই হোস্টের সাথে ঠিক করুন।
ভালো সময়
শীত (অক্টোবর–ফেব্রুয়ারি) — অতিথি পাখি, ক্যাম্পিং, পরিষ্কার আকাশ। বর্ষা-ঘূর্ণিঝড়ে এলাকাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয় — যারা গিয়ে দেখেছেন তারাই বলেন।
টিপস
তাঁবুর হোস্টদের সাথে আগেই যোগাযোগ করুন — খাবার প্যাকেজসহ সব ঠিক করা যায়।
ওয়াচ টাওয়ারের দিকে ১০–১৫ মিনিটের কাদামাখা হাঁটা — বাঁশের লাঠি নিলে সহজ।
শুধু গ্রামীণফোন নেটওয়ার্ক; ডিভাইস চার্জ ৩০ টাকা — পাওয়ার ব্যাংক নিন।
শীতের স্টলে চিতপিঠা, ভাপা পিঠা, হাসের ডিম আর খেজুর রস পাবেন — নাস্তা ৫০–৬০ টাকা।