
সাঙ্গু নদী — ছবি — Mohammed Tawsif Salam · CC BY-SA 3.0
গন্তব্য গাইড
সাঙ্গু নদী
Sangu River
মায়ানমারের পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়ে প্রায় ২৯৪ কিমি পথ পেরিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়া পাহাড়ি নদী — মারমারা একে স্বচ্ছ পানির নদী বলে ডাকেন। পাহাড় ছুঁয়ে ছুঁয়ে বয়ে যাওয়া এই নদীতে ইঞ্জিন নৌকা ভ্রমণই বান্দরবান সদরের একটা পুরনো আকর্ষণ; শাখা-প্রশাখায় ঝর্ণা আর বড়ইতলির মতো নৌকা ছাড়া পৌঁছানো যায় না এমন পাড়াও আছে।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
ব্রিটিশ আমলে ১৮৬০-র গেজেটিয়ারে 'শংখ' নামটা উচ্চারণ-ভুলে 'সাঙ্গু' হয়ে যায় বলেই ধারণা করা হয়।
কীভাবে যাবেন
শহরের দিকের ট্রিপের জন্য কেচিং ঘাটে যান — শহর থেকে অটো বা চাঁদের গাড়িতে ৫–৭ মিনিট, ঘাটেই নৌকা পাওয়া যায়। দূরের ট্রিপ (তিন্দু-রেমাক্রি দিক) হলে আগে থানচি যেতে হয়, সেখানে নৌকা রিজার্ভ করতে হয়।
প্রবেশমূল্য
৳১,০০০–৫,০০০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
নৌকা ভাড়াই মূল খরচ — শহরের ঘাটে এক পয়েন্ট (বড়ইতলি দিক) পুরো নৌকা ৳১০০০ শুনেছেন অনেকে; থানচি দিকে রেমাক্রি পর্যন্ত ৳৪০০০–৫০০০, এক নৌকায় সর্বোচ্চ ৫–৬ জন। গাইড আলাদা ৳১০০০। দামটা দরদাম করে নিন।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
ঘাটে নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই — ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত নৌকা পাওয়া যায়; সূর্যাস্তের ট্রিপের জন্য একদিন আগে বুক করার পরামর্শ অনেকের।
ভালো সময়
শীতে (নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি) কুয়াশা আর শান্ত পানি নিয়ে একে পারফেক্ট সময় বলেছেন অনেকে; বর্ষায় নদী সবচেয়ে প্রাণবন্ত কিন্তু স্রোত তীব্র। শুষ্ক মৌসুমে ওপরের দিকে পানি কমে নৌকা পাথরে আটকায়।
টিপস
লাইফ জ্যাকেট পরুন — যেসব দল পরেছে তারাই শান্তিতে ঘুরেছে।
তিন্দু-রেমাক্রি দিকে গেলে এনআইডির একাধিক কপি নিন — ঘাটে ঘাটে বিজিবি লিখিয়ে নেয়।
নৌকা একদিন আগে ঘাটের গাইড দিয়ে বুক করুন, আর ভাড়া সুন্দর করে দরদাম করুন।