গন্তব্য গাইড
সোনাদিয়া দ্বীপ
Sonadia Island
মহেশখালীর পাশের নিরিবিলি দ্বীপ — ৯ বর্গকিমি, তিনটা সমুদ্রসৈকত, বালুতে লাল কাকড়ার গর্ত, আর সৈকতে তাঁবু ফেলে রাত কাটানোর ব্যবস্থা। কথিত আছে পর্তুগিজ আমলে সোনাভরা একটা জাহাজ এখানে ডুবেছিল — সেই থেকে নাম 'স্বর্ণদ্বীপ'। পর্যটক প্রায় নেই — শুটকি আর বড় শামুক-ঝিনুকের জন্য বিখ্যাত।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
সোনার জাহাজের কিংবদন্তি ছাড়া বিবরণগুলোতে কোনো লিখিত ইতিহাস নেই — জেলেপাড়ার জীবনই দ্বীপের আসল চরিত্র।
কীভাবে যাবেন
মহেশখালী থেকে — অটো ৳৫০-তে গোরকঘাটা বাজার, তারপর লোকাল ৳৪০ বা সিএনজি ৳২০০-তে ঘটিভাঙ্গা ঘাট। লোকাল ট্রলার শুধু জোয়ারের সময় চলে, মোটামুটি সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে — মিস করলে আটকে যাবেন; ভাড়া ৳১০০, প্রায় ১ ঘণ্টা। বিকল্প: রিজার্ভ স্পিডবোট ~৳৩,৫০০ একমুখী।
প্রবেশমূল্য
৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
দ্বীপে ঢোকার টিকিট নেই; খরচ নৌকা আর ক্যাম্পিংয়ে।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
সব ট্রলারের জোয়ারের সময়টার উপরেই নির্ভর করে — নৌকা মিস করলে রাত আটকে যেতে পারে; ফেরার প্ল্যান আগেই ঠিক করে রাখুন।
ভালো সময়
শীত; সমুদ্র শান্ত থাকে, ক্যাম্পিং আরামদায়ক।
টিপস
পানি, বাতি, ব্যান্ডেজের মতো দরকারি জিনিস সাথে নিন — দ্বীপে দোকান নেই বললেই চলে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল হতে পারে — কাউকে আপনার প্ল্যানটা জানিয়ে রাখুন।