
ভাসুবিহার — ছবি — Mahfuzcong · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
ভাসুবিহার
Vasu Bihar
মহাস্থানগড় থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার পশ্চিমে, বিহারহাটার কাছে আরেকটা প্রত্নস্থান — নরপতির ধাপ নামে লোকে চেনে। অষ্টম শতকের একটা বৌদ্ধ বিহার; প্রাচীন ভ্রমণকারী হিউয়েন সাঙ ৬৩৮ সালে এই এলাকার একটা বিখ্যাত বিহারের কথা লিখে গেছেন বলে অভিজ্ঞরা বলেন। মহাস্থানের ভিড়ের বাইরে চুপচাপ ইতিহাস গুনতে চাইলে এই জায়গা।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
১৯৭৩-৭৪ সালে খনন হয় বলে ভ্রমণকারীরা জানিয়েছেন। হিউয়েন সাঙের লেখায় এই অঞ্চলের বিহারটা 'পসিপো' নামে পরিচিত ছিল বলে ঐতিহাসিকদের ধারণা — অনেকে সেটার সঙ্গেই ভাসুবিহারকে মেলান।
কীভাবে যাবেন
মহাস্থানগড় থেকে সিএনজি বা মোটরবাইকে শিবগঞ্জ হয়ে বিহারহাটা রুটে যাওয়া যায়। বগুড়া শহর থেকে সরাসরি এলে রিজার্ভ গাড়িই সুবিধা — যাতায়াতের সুনির্দিষ্ট ভাড়া যাচাই হয়নি, গিয়ে দরদাম করে নিন।
প্রবেশমূল্য
প্রবেশমূল্য এখনো জানা যায়নি
প্রবেশ ফি কত জানা যায়নি — যাওয়ার আগে খোঁজ নিয়ে নিন।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
কখন খোলে-বন্ধে হয় জানা যায়নি — দিনের আলোতে ঘুরে দেখুন।
ভালো সময়
শীতকাল, মহাস্থান-গোকুল মেধের সার্কিটে একসঙ্গে।
টিপস
সাধারণত ভিড় কম — ছবি তুলতে আর প্রত্নস্থানটা শান্তভাবে দেখতে দারুণ।
খনন এলাকা ছোট, আধা ঘণ্টাই যথেষ্ট — রাস্তায় গ্রামের দৃশ্য দেখতে দেখতে যান।