গন্তব্য গাইড
ভাদ্রা লেক
Bhadra Lake (RDA Park)
শহরের পূর্বপাশে ভদ্রা মোড়ের গা ঘেঁষে ছোট্ট এক শহরের ফুসফুস। লেকের ধারে সিঁড়ি নেমেছে, দুটো সাজানো সেতু পার হয়ে ঘোরা যায়, আর ঠিক উত্তরের পার্কে — এখনকার নাম আরডিএ পার্ক — হাঁস-মুরগির নৌকা, মিনি ট্রেন, ঘোড়ায় চড়া। সন্ধ্যায় রঙিন বাতি জ্বললে জায়গাটার আলাদা এক মেজাজ।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
পার্কটার নাম আগে ছিল ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পার্ক, সবাই ভাদ্রা পার্ক বলত; সংস্কারের পর এখন আরডিএ পার্ক নামে পরিচিত। ব্রিটিশ আমল থেকেই এলাকাটা শহরবাসীর আড্ডার জায়গা; লেকটা ২০১৮-র পরে খোঁড়া বলেও অনেকে বলেন।
কীভাবে যাবেন
শহীদ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর রোড ধরে, ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের ধারে স্মৃতি অম্লানের কাছে — দক্ষিণে লেক, উত্তরে পার্ক। শহরের কেন্দ্র থেকে রিকশা ৩০-৪০ টাকা; ভদ্রা বাসস্ট্যান্ড হলে হাঁটার মতো দূরত্বে।
প্রবেশমূল্য
৳২০–৫০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
প্রবেশমূল্য ২০-২৫ টাকা (দুজন বলেছেন দুই দাম); প্রতিটি রাইড — নৌকা, মিনি ট্রেন, ঘোড়ার চড়া — প্রতিজন ৫০ টাকা।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
সকাল ৯টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত, গ্রীষ্ম-শীতে সময়টা একটু এদিক-ওদিক হয়। সংস্কারের পর এক পর্যায়ে দরজা খোলার অনুমতির অপেক্ষায় ছিল — যাওয়ার আগে খোলা কি না জেনে নিন।
ভালো সময়
বিকেল থেকে সন্ধ্যা — বাতি জ্বলার সময়টাই সবচেয়ে লোভনীয়; দিনের বেলায় ছায়া কম, কিন্তু ফাঁকা।
টিপস
পশ্চিমের গেট সাধারণত বন্ধ থাকে — মূল গেট দিয়েই ঢুকুন।
কিছু সিঁড়ি আর পানিতে শ্যাওলা জমে থাকতে পারে — সন্ধ্যার বাতি দেখতে নামলে পা রাখতে সাবধান।
বাইরের খাবার আনা টেকনিক্যালি নিষেধ; ভেতরের দোকানে আইসক্রিম-জুস পাওয়া যায়।
পুরো পার্ক ঘুরতে ১০-১৫ মিনিট — সন্ধ্যার জন্য বাকি সময়টা ভদ্রা মোড়ের চটপটি-ফুচকার দোকানে দিন।
চাঁদিমা লেকের সাথে সেতু দিয়ে যুক্ত — পায়ে হেঁটে এক লেক থেকে আরেক লেকে যাওয়া যায়।
অবস্থান
এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।