
জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর — ছবি — Moheen Reeyad · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
Ethnological Museum
বাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর — এশিয়াতেও মাত্র দুটোর একটা বলে লোকে বলে। দেশের প্রায় ২৫-২৯টা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী আর বিদেশের কয়েক দেশের আদিবাসীদের পোশাক, অস্ত্র, গৃহস্থালির জিনিস আর জীবনযাত্রার গ্যালারি। আগ্রাবাদের রাস্তার ধারেই — এক ঘণ্টার এক শান্ত, জ্ঞানগার পড়শি।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠা, ১৯৭৪ সালে দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। ১৯৮৫-৯৫ সালের মধ্যে দুটি নতুন কক্ষ যোগ হয়, আর ১৯৯৬ সালে বাঙালি জনগোষ্ঠীর লোকজ জিনিসপত্রের গ্যালারি বসে। পুরনো আদিবাসীদের যে জিনিসপত্র এখানে সাজানো, সেগুলোর অনেকটাই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে — তাই এ জাদুঘরের ভাণ্ডারের দাম আরও বেশি।
কীভাবে যাবেন
অবস্থান আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, শহরকেন্দ্র থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার। আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় বা চৌমোহনী থেকে হাঁটা দূরত্বে — রিকশায় নামলেই রাস্তার পাশে জাদুঘর।
প্রবেশমূল্য
প্রবেশমূল্য এখনো জানা যায়নি
ভ্রমণকারীদের হিসাবে দেশি পর্যটকদের টিকিট ২০-৩০ টাকা।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা; রবিবার ও সরকারি ছুটির দিনে বন্ধ বলে জানিয়েছেন যারা গিয়েছেন।
ভালো সময়
শীতের বিকেল ভালো লাগে — আগ্রাবাদের কর্মব্যস্ত দিনের মাঝে ঠান্ডা এক গোছানো সময়।
টিপস
বিকেলের আগে পৌঁছান — সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ, শেষ মুহূর্তে ঢুকলে সময় কম পড়ে।
চৌমোহনী-আগ্রাবাদ এলাকার অন্য কাজের সাথে মিলিয়ে নিন — জাম্বুরি পার্কও কাছেই।
কোথাও কোথাও আলো কম — ফ্ল্যাশ ছাড়া ছবি তুললে দেখাটাও ভালো থাকে।