
গুঠিয়া মসজিদ (বাইতুল আমান জামে মসজিদ) — ছবি — Mahjabin Mamun · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
গুঠিয়া মসজিদ (বাইতুল আমান জামে মসজিদ)
Guthia Mosque (Baitul Aman Jame Masjid)
বরিশালের লোক এই মসজিদটা নিয়ে গর্ব করে কথা বলেন — যারা গিয়েছেন প্রায় সবাই এক কথা বলেন, বিভাগের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ এটাই। বিশাল ফটক পেরোলেই চোখে পড়ে ওজু করার বিরাট পুকুর, তারপর কারুকাজে সাজানো মসজিদ ভবন, উঁচু মিনার, চারপাশে গাছপালা। ভেতরে প্রার্থনার জায়গা প্রায় ১,৫০০ জনের, পুরো কমপ্লেক্সে প্রায় ২০ হাজার মানুষ নামাজ করতে পারেন।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
স্থানীয় ব্যবসায়ী শরফুদ্দীন আহমেদ সেন্টুর নিজের টাকায় বানানো — ২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর কাজ শুরু হয়ে প্রায় তিন বছর পর ২০০৬ সালে খুলে দেওয়া হয়। তবে কেউ কেউ ১৯৯০-এর দশকের কথা বলেন — সাল নিয়ে দুই রকম কথাই শোনা যায়। মসজিদের পাশে এতিমখানাও আছে।
কীভাবে যাবেন
লঞ্চঘাট থেকে নতুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড — রিকশা বা অটোতে ৩০ টাকা, তারপর লেগুনায় ৫০ টাকা; পুরোটা ৩০–৪০ মিনিটের পথ। চাইলে গোটা রুটের (গুঠিয়া + দুর্গাসাগর + লাকুটিয়া) জন্য সিএনজি রিজার্ভ করতে পারেন — ১,৭০০ টাকা চাওয়া হলেও ৮০০ টাকায় নামানো গেছে।
প্রবেশমূল্য
৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
টিকিটের কথা কেউ বলেননি — ফ্রিতেই ঢোকা যায়; গেটে এতিমখানার জন্য দানবাক্স রাখা আছে।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
নামাজের সময়গুলোতেই ঢোকা ভালো — সারা দিন দর্শনার্থীরা আসতেই থাকেন।
ভালো সময়
বিকেলের আলোয় সাদা গম্বুজটা আর পুকুরের পানিতে তার প্রতিফলন সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।
টিপস
গেটের পাশে খাবারের দোকান আছে — অনেকে সেখানেই নাস্তা করেন।
ছাদের নকশা আর দেশি-বিদেশি টাইলসের কাজ দেখার মতো।