গন্তব্য গাইড
হেয়াত মামুদ স্মৃতিকেন্দ্র, ঝাড়বিশিলা
Hayat Mahmud Memorial, Jharbishila
মধ্যযুগের বাংলা কবি হেয়াত মামুদের (১৬৯৩–১৭৬০) জন্মভিটে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঝাড়বিশিলা গ্রামে। এখানে কবির মাজার, আর জেলা পরিষদের উদ্যোগে গড়া হয়েছে স্মৃতিকেন্দ্র। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ভালোবাসেন, এমন মানুষের কাছে গ্রামের এই শান্ত জায়গাটার আলাদা একটা মর্ম আছে।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
হেয়াত মামুদ ১৬৯৩ সালে ঝাড়বিশিলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, ১৭৬০ সালে মারা যান। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা — জঙ্গনামা (১৭২৩), সর্বভেদবাণী (১৭৩২), হিতজ্ঞানবাণী (১৭৫৩) আর আম্বিয়াবাণী (১৭৫৮)। "দুই চোখে দেখেও যে অন্ধ, সে-ই ভালো-মন্দ বোঝে না" জাতীয় নীতিকথা তাঁর নামেই প্রচলিত। তিনি আলাওলের সাহিত্যশৈলী অনুসরণ করতেন আর তাঁকে গুরু মানতেন — আলাওল নিজে অবশ্য চট্টগ্রাম-আরাকান অঞ্চলের কবি, রংপুরের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগ নেই। কবির স্মৃতিতে জেলা পরিষদ এখানে স্মৃতিকেন্দ্র গড়েছে; প্রতি বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এখানে স্মরণসভা হয়।
কীভাবে যাবেন
স্মৃতিকেন্দ্রটা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চৈত্রকোল ইউনিয়নের ঝাড়বিশিলা গ্রামে। রংপুর শহর থেকে পীরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দিন, সেখান থেকে লোকাল যানবাহনে গ্রামে পৌঁছাতে হবে। সঠিক রুট, ভাড়া আর দূরত্ব এখনো নিশ্চিত করা যায়নি — যাওয়ার আগে স্থানীয়দের কাছ থেকে জেনে নিন।
প্রবেশমূল্য
প্রবেশমূল্য এখনো জানা যায়নি
প্রবেশমূল্য নিশ্চিত করা যায়নি — যাওয়ার আগে স্থানীয়দের কাছ থেকে জেনে নিন।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
খোলা ও বন্ধ হওয়ার নির্দিষ্ট সময় নিশ্চিত করা যায়নি — যাওয়ার আগে স্থানীয়দের কাছ থেকে জেনে নিন।
ভালো সময়
দিনের বেলায় গেলে গ্রামের পথ আর স্মৃতিকেন্দ্রটা ভালোভাবে দেখতে পাবেন; শীতের সকাল ঘুরে বেড়ানোর জন্য আরামদায়ক। সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য বিশেষ দিন হলো ১৮ ফেব্রুয়ারি — কবির স্মরণসভার দিন।
টিপস
রুট আর যাতায়াতের ব্যবস্থা আগেই নিশ্চিত হয়ে নিন — গ্রামের ভেতরের পথ এমনি এমনি ধরা যায় না।
সঙ্গে পানি আর হালকা খাবার রাখুন, কারণ চারপাশে দোকানপাট কম থাকতে পারে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে কবি হেয়াত মামুদের জীবন আর জায়গাটার ইতিহাস জেনে নিন।
ময়লা না ফেলে এসে জায়গাটার সাংস্কৃতিক মর্যাদা ঠিক রাখুন।
অবস্থান
এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।