
ইনানী সমুদ্রসৈকত — ছবি — Fatima.nisha · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
ইনানী সমুদ্রসৈকত
Inani Sea Beach
মেরিন ড্রাইভ ধরে প্রায় ২৩-৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে — সোনালি বালুর ওপর ছড়ানো কালো-সবুজ প্রবাল পাথর; অনেকে একে 'মিনি সেন্ট মার্টিন' বলেন। জোয়ার-ভাটা বদলের সময়টাতেই সৈকতটা সবচেয়ে সুন্দর দেখায় — যাঁরা বারবার যান, তাঁদেরই কথা। শহরের সৈকতের চেয়ে ভিড় অনেক কম, সমুদ্রও শান্ত।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
একটু ভেতরে রেজু খালের ব্রিজ — একসময় এখানে ফেরি চলত, ভ্রমণ বর্ণনাগুলোতে সেই পুরনো দিনের কথাই ফিরে আসে; দুই লেনের কাজ চলছে বলে এখন এক লেনের ব্রিজেই জ্যাম থাকে।
কীভাবে যাবেন
গালাদালি মোড় থেকে লোকাল অটো (রাস্তা খারাপ); ফুল-ডে অটো রিজার্ভ ৳১,৫০০, সিএনজি ৳২,০০০-২,৫০০। শহর থেকে চাঁদের গাড়ি নিলে ~৳৩,৫০০। বিকেলে পৌঁছে সূর্যাস্ত দেখাই ভালো।
প্রবেশমূল্য
৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
সৈকতে ঢোকা ফ্রি। কাছের রেজু খালে কায়াকিং ৳২০০/জন (অন্য হিসেবে দুই-সিট বোট ৩০ মিনিটের জন্য ৳২৫০ — হিসেব মেলে না সবার)। বাচ্চাদের ঘোড়ায় চড়া দরদামে ৳১০০। আর দু-এক মিনিট এগোলেই বাংলাদেশ নেভি জেটি — ৳২০০/জন, জুতা খুলে ঢুকতে হয়, ইচ্ছেমতো সময় কাটানো যায়।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
নির্দিষ্ট সময় নেই — দিনের আলোতেই ঘুরে নিন।
ভালো সময়
বিকেল-সূর্যাস্ত সেরা; সূর্যাস্তের সময় সাম্পান নৌকার সারিটাই ইনানীর সিগনেচার দৃশ্য। ভাটার সময় প্রবাল পাথরগুলো বেরিয়ে আসে।
টিপস
পথে ঝাউবনে দোলা ভাড়া ৳১২০/ঘণ্টা; আনারস ৳১০-১৫/টা — কক্সবাজারের প্রিয় ফল।
কাছের রিসোর্টগুলো দামি, রুমও কম — থাকতে চাইলে আগেই বুকিং করে নিন।
নেভি জেটিতে ঢোকার সময় আইডি চাইতে পারে — সাথে রাখুন।