গন্তব্য গাইড
কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ি
Kirtipasha Zamindar House
শহর থেকে একটু দূরেই কীর্তিপাশা গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে সাড়ে দেড়শো বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি — জঙ্গলে ঢাকা ধ্বংসাবশেষ, তবু দেয়ালে ইউরোপীয় আর মুঘল আমলের ছাপ স্পষ্ট। এতটাই নিঃসঙ্গ যে কেউ কেউ রসিকতা করেন, "ভুতুরে জায়গা"। যাঁরা ভাঙাচোরা পুরোনো ঐতিহাসিক জায়গা ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে এ জায়গা ভোলার মতো না।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
জমিদার পরিবারের নাম নিয়ে সবাই এক কথা বলেন না — কেউ শুনেছেন রোহিণী কুমার সেন, কেউ মানিকচন্দ্র রায়, যাঁর শেষ বংশধর ছিলেন মানিকলাল চট্টোপাধ্যায়। সবাই একমত — বাড়িটা ভেঙে যাচ্ছে, জমিদারি বহু আগেই শেষ; বাড়ির জমির অংশে এখন বালিকা বিদ্যালয়, সামনে নার্সিং কলেজ। জমিদারদের দুর্গা মন্দিরের ছবি বেঁচে আছে জেলায় ঢোকার মুখের চত্তরের ম্যুরালে।
কীভাবে যাবেন
কীর্তিপাশা ঝালকাঠি সদর উপজেলায় — শহর থেকে রিকশা বা রিজার্ভ অটোতে ১০-২০ মিনিট। পথ না জানলে লোকজনকে জিজ্ঞেস করুন — গ্রামের সবাই বাড়িটা চেনে।
প্রবেশমূল্য
৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
টিকিটের কোনো খবর নেই — খোলা জায়গা, কোনো গেট নেই।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই — দিনের আলোতেই দেখুন।
ভালো সময়
সকাল — ছবির আলো ভালো, আর ঝোপের ভেতরের গরমও কম।
টিপস
ঠিকঠাক ঢোকার কোনো পথ নেই — ঝোপের ভেতর দিয়ে ঢুকতে হয়; মোজা-জুতো পরে যান।
সবচেয়ে ভাঙা অংশে ঢুকবেন না — ইট খসে পড়ে।
১৫-৩০ মিনিটের ভ্রমণ; সকালে নদীর পাড়ের পার্কগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে ফেলুন।