
ক্যাওকরাডং — ছবি — Biplob Rahman · CC BY 2.5
গন্তব্য গাইড
ক্যাওকরাডং
Keokradong
প্রায় ৩২০০ ফুট উচ্চতার এই চূড়া একসময় 'বাংলাদেশের ছাদ' নামে পরিচিত ছিল — উচ্চতার ক্রম নিয়ে মতভেদ থাকলেও সূর্যোদয়ের জন্য এটাই ভ্রমণকারীদের প্রথম পছন্দ। মেঘের ওপর দাঁড়িয়ে ভোরের সূর্য দেখা, জিরো পয়েন্টে ছবি, আর চারপাশে সেনা ক্যাম্পের হেলিপ্যাড — ভোরের এই ট্রিপটাই বগা লেক ঘুরে আসার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
অনেকে একে দেশের সর্বোচ্চ চূড়া বলে বড় করে লিখেছেন; পরের হিসাবে এর অবস্থান পাঁচ নম্বরে নেমে আসে বলেও শোনা যায় — তবে নামটা বাংলাদেশের ট্রেকিংয়ের প্রতীক হয়েই আছে।
কীভাবে যাবেন
বগা লেক থেকে নতুন রাস্তা হয়ে গাড়ি বা বাইকে ১০ কিমি, মোটামুটি ৩০ মিনিট — একসময় পুরো ঝিরিপথে হাঁটতে হতো, এখন গাড়ি ওঠে। চূড়ার এন্ট্রিতে চেকপয়েন্ট আছে, গাইডই কাগজ সামলায়। হেঁটে উঠতে চাইলে গাইডসহ ঝিরিপথও এখনো চালু।
প্রবেশমূল্য
প্রবেশমূল্য এখনো জানা যায়নি
চূড়ায় ঢোকার আলাদা টিকিটের কথা কেউ বলেনি — খরচটা গাইড, গাড়ি আর থাকার হিসাবে ঢোকে।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
নির্দিষ্ট সময়সূচি নেই — তবে সূর্যোদয়ের আগেই পৌঁছানোর রুটিনই সবার; সেজন্য রাত জেগে রওনা হতে হয়।
ভালো সময়
শীতের ভোরে কুয়াশামেঘ আর তীব্র ঠান্ডা — গরম কাপড় ছাড়া উঠবেন না। প্রতি বছর ১ অক্টোবর থেকে পর্যটক আসা শুরু হয়।
টিপস
চূড়ার 'হোটেল' বলে যে কয়টা রুম আছে (৳৩০০০) তাতে ওয়াশরুম ঠিকমতো চলে না — বগা লেকে থেকে দিনের ট্রিপেই আসুন।
ড্রোন নিষিদ্ধ — সেনা এলাকা, ক্যাম্পের ভেতরে যাওয়াও যাবে না।
বাইক রিজার্ভ করলে বাইকের ভাড়ার সাথে গাইড ফি আলাদা যোগ হয় — আগেই হিসাব করে নিন।