Beauty Of BD

গন্তব্য গাইড

তিস্তা নদীর পাড় — মহিপুর সেতু, গঙ্গাচড়া

Teesta Riverbank — Mahipur Bridge, Gangachara

গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর ঘাটে তিস্তার ওপর দিয়ে চলেছে রংপুর–লালমনিরহাট মহাসড়কের সেতু — সবাই যাকে তিস্তা ব্রিজ বলে চেনে। নদীর হাওয়া, নৌকা, পাড়ের খাবারের দোকান আর শীতের ধূধূ বালুচর — রংপুর শহর থেকে কাছেই নদীর পাড়ে এক দিন কাটানোর সহজ ঠিকানা। শরৎকালে পাড়জুড়ে কাশফুল ফোটে।

৳০ · নিশ্চিতকৃত

ইতিহাস ও গুরুত্ব

তিস্তা এই অঞ্চলের প্রাণ। কিন্তু উজান থেকে পানি তুলে নেওয়া আর পলি জমার কারণে নদীটা প্রতি বছরই শুকিয়ে যাচ্ছে — শীতের শুরু থেকেই চারদিকে ধূধূ বালুচর দেখা যায়। এই পরিবর্তনের সুবাদেই শীতকালে নদীর বিস্তীর্ণ বালুকাময় চরে হাঁটা অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা। তিস্তা ব্যারেজ নামে যে বাঁধটা অনেকে জানেন, সেটা আসলে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় — রংপুর জেলার জায়গা নয়; দেখার কৌতূহল থাকলে আলাদা ট্রিপে যেতে হবে।

কীভাবে যাবেন

রংপুর শহর থেকে মহিপুর সেতু প্রায় ১৬ কিলোমিটার, রাস্তায় আধা ঘণ্টার মতো লাগে। গঙ্গাচড়া হয়ে রংপুর–লালমনিরহাট মহাসড়ক (আর-১০১) ধরে অটোরিকশা, ইজিবাইক বা সিএনজিতে সোজা চলে যাওয়া যায়; নিজের গাড়িতেও সেতুপাড়ে নামা যায়।

প্রবেশমূল্য

৳০ · নিশ্চিতকৃত

প্রবেশমূল্য নেই — নদীর পাড় সবার জন্য খোলা।

খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়

খোলা-বন্ধের নির্দিষ্ট সময় নেই, তবে কোন সময়টা সবচেয়ে ভালো লাগে সেটা এখানকার মানুষের পছন্দই বলে দেয় — বিকেলের আলোয় পাড়টা সবচেয়ে জমে।

ভালো সময়

বিকেলবেলা সবচেয়ে জমে — এটা স্থানীয়দের খুব পছন্দের একটা ঘোরার জায়গা। শরৎকালে কাশফুল, শীতকালে বিস্তীর্ণ বালুচর — বর্ষায় পানি বাড়লে দৃশ্য বদলে যায়। ২০২৬-এর জুনে সেতুর সুরক্ষা বাঁধে ভাঙনের খবর ছিল — বর্ষায় যাওয়ার আগে স্থানীয়দের কাছে খোঁজ নিয়ে নিন।

টিপস

  • নৌকায় ওঠার আগে ভাড়া নৌকার মালিকের সঙ্গে ঠিক করে নিন।

  • শীতের বালুচরে হাঁটার সময় চরের ক্ষয়ে যাওয়া কিনারা এড়িয়ে চলুন।

  • পাড়ের খাবারের দোকানে তাজা ভাজাভুজি আর চা পাবেন — বিকেলের নাস্তার জন্য দারুণ।

  • বর্ষায় পানি বাড়লে সেতুর নিচে বা বাঁধের কিনারে ঝুঁকি নেবেন না।

অবস্থান

এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।