Beauty Of BD

গন্তব্য গাইড

মথুরাপুর দেউল

Mathurapur Deul

মধুখালীর কাছে ক্ষেতের মাঝে বারো কোণা পোড়ামাটির দেউল, উচ্চতা আনুমানিক ৭০–৮০ ফুট। যারা গিয়েছেন তারা বলেন — কবির বাড়ির পরেই জেলায় সবচেয়ে বেশি ছবি ওঠে যে ভবনটার, সেটা এটাই; আর কেন বানানো হয়েছিল, সেই রহস্যই তো অর্ধেক আকর্ষণ।

ইতিহাস ও গুরুত্ব

বানানো হয়েছিল ষোড়শ-সপ্তদশ শতকের দিকে; ঠিক কী কাজে, সেটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। লোকমুখে নাম আসে সেনাপতি সংগ্রাম সিং বা রাজা মানসিংহের — জয়স্তম্ভ হিসেবে; আবার কেউ বলে স্থানীয় জমিদার তুলেছিল — কোনো দাবিরই পোক্ত প্রমাণ নেই। উচ্চতা নিয়েও মত ভাগ — কেউ ৭০ ফুট বলেন, কেউ ৮০।

কীভাবে যাবেন

ফরিদপুর থেকে মধুখালীর বাস (প্রায় ৬০ টাকা, ২৪–২৫ কিমি), তারপর রিকশা ৫০ টাকা বা লোকাল লগুনা ১০ টাকা; বাজার থেকে দেউল প্রায় ২ কিমি।

প্রবেশমূল্য

প্রবেশমূল্য এখনো জানা যায়নি

কোনো টিকিট লাগে না।

খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়

খোলা জায়গা — সারাদিন।

ভালো সময়

বিকেলের আলোয় পোড়ামাটির নকশা সবচেয়ে ভালো ফোটে; যাওয়ার জন্য শীতই সবচেয়ে আরামের।

টিপস

  • ধীর ট্রেন ভালো লাগলে ভাটিয়াপাড়া মেইলে আসুন — মধুখালীতে থামে।

  • চারপাশে ছায়ার নাম নেই — গরমের দিনে সাথে পানি রাখুন।

অবস্থান

এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।