গন্তব্য গাইড
নয়াবাদ মসজিদ
Nayabad Mosque
কান্তজীউ মন্দির থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে, ধেপা নদীর ধারে ১৭৯৩ সালের ছোট্ট এই মসজিদটা। তিনটা গম্বুজ, চার কোণে অক্টাগোনাল মিনার, দেয়ালে এখনো পোড়ামাটির ফলকের চিহ্ন। আকারে ছোট হলেও গল্পটা বড় — এলাকার লোকে বলে, মন্দিরের কাজে আসা মুসলিম শিল্পী-শ্রমিকেরাই নিজেদের নামাজের জন্য এটা বানিয়েছিলেন; তবে ইতিহাসবিদদের মধ্যে বিষয়টা নিয়ে ভিন্নমত আছে।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
১৭৯৩ সালে উঠেছে মসজিদটা, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের আমলে — ওই সময়ের জমিদার ছিলেন রাজা বৈদ্যনাথ। মুখে মুখে ঘোরে, মন্দিরের কাজ করা শিল্পীদের জন্যই এটা উঠেছিল — তবে সাল মিলিয়ে দেখলেও সরাসরি যোগসূত্রটা নিয়ে ইতিহাসবিদরা এখনো একমত না।
কীভাবে যাবেন
কান্তজীউ মন্দির থেকে রিকশা বা অটোতে ২ কিলোমিটার। মসজিদ এলাকায় ফেরার অটো ঠিকমতো পাওয়া যায় না — যাওয়া-আসা দুটোই আগেই কথা বলে ঠিক করে রাখুন; একদল ভ্রমণকারী ৭০ টাকায় যাওয়া-আসা ঠিক করেছিলেন।
প্রবেশমূল্য
৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
ফ্রি — এই মসজিদে এখনো নামাজ হয়, ঢোকার টিকিট নেই।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
সারাদিনই ঢোকা যায়; নামাজের সময়গুলোতে ভিড় বেশি থাকে — ওই সময়ে চুপচাপ থাকাই ভালো।
ভালো সময়
কান্তজীউ মন্দিরের ট্রিপের সঙ্গেই — এক ট্রিপেই দুটো দেখা।
টিপস
দেয়ালে এখনো যে পোড়ামাটির ফলক বাকি আছে, সেগুলো খেয়াল করুন — দেখতে মন্দিরের কারুকাজের মতোই।
চাইলে দুই রাকাত নফল পড়ে নিতে পারেন — এক দল ভ্রমণকারী এভাবেই ট্রিপ শেষ করেছিলেন।