গন্তব্য গাইড
রংপুরের মন্দির
Temples of Rangpur
শহরজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কয়েকটা হিন্দু মন্দির, সবগুলোতেই এখনো নিয়মিত পূজা চলে — করুণাময়ী কালীবাড়ি (পায়রা চত্বরের পাশে), ধর্মসভা মন্দির, শ্মশান কালী মন্দির। যে কেউ ঘুরে দেখতে পারবেন; কালীবাড়িতে চাইলে পুরোহিতকে ডেকে পূজা দিতে পারবেন। তিনটাই ১০ টাকার রিকশা ভাড়ার দূরত্বের মধ্যে।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
করুণাময়ী কালীবাড়ি প্রতিষ্ঠা হয় ১২৯৮ বঙ্গাব্দে (প্রায় ১৮৯১-৯২ খ্রিস্টাব্দ) — এটাই শহরের সবচেয়ে পরিচিত মন্দির। জেলা নিবন্ধন তালিকায় শ্রীশ্রী কালী মন্দির, গঙ্গাদাস হরি মন্দির, খোদ্দাপাড়া হরি মন্দিরের নামও আছে।
কীভাবে যাবেন
পায়রা চত্বর থেকে শুরু করে রিকশায় একটার পর একটা মন্দির ঘুরে আসা যায়।
প্রবেশমূল্য
৳০ · নিশ্চিতকৃত
ভেতরে ঢুকতে টাকা লাগে না — তবে যেকোনো উপাসনালয়ের মতো শালীন পোশাক পরে যাবেন।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই — সকালে আর সন্ধ্যার আরতির সময়টাতেই মন্দির সবচেয়ে জমে ওঠে।
ভালো সময়
সন্ধ্যার আরতির সময়টাতেই মন্দিরচত্বর সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।
টিপস
হনুমানতলা বাজারের হনুমান মন্দিরটাও কাছেই পড়ে।
মন্দিরের চারপাশ সুন্দর করে রাখা হয় — শ্রদ্ধা রেখে ঘুরে বেড়ান।
অবস্থান
এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।