
রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য — ছবি — Saad.Kaikobad · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
Rema-Kalenga Wildlife Sanctuary
জেলার সবচেয়ে বড় 'বুনো' বন — দেশের দ্বিতীয় বড় প্রাকৃতিক বন, ত্রিপুরা সীমান্তের কাছে। সাতছড়ির চেয়ে বড় আর শান্ত; ওয়াচটাওয়ার, তিনটা ট্রেইল, ক্যাম্পিং, আর ভেতরে-আশপাশে ত্রিপুরা, সাঁওতাল, তেলুগু, উরাঁও পল্লি।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
প্রায় ১,৭৯৬ হেক্টরের বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য; চারটা বন ব্লক — কালেঙ্গা, রেমা, চম্বরী, রশিদপুর। ভ্রমণকারীদের মতে এখানে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি আর ৩৩৮ প্রজাতির গাছ।
কীভাবে যাবেন
হবিগঞ্জ শহর থেকে ভাটি বাজার বা শাকির মোহাম্মদ বাজার হয়ে আসা যায়; খরচ জনপ্রতি ৳১৫০–২০০। বনের ভেতরের রেস্ট হাউসে থাকতে চাইলে সিলেট বিভাগীয় বন অফিসের অনুমতি আগেই নিতে হয়।
প্রবেশমূল্য
৳৫০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
প্রায় ৳৫০ বলে জানা যায়; লোকাল গাইড ৳২০০–৫০০ — এখানে সবাই গাইড নিতেই বলেন।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
দিনের বেলায় ঢোকা যায়, বন অফিসের মাধ্যমে; নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি প্রকাশ করা নেই।
ভালো সময়
শুকনো মৌসুম — বর্ষায় ট্রেইলে হাঁটা মুশকিল। নিজের গিয়ার নিয়ে ক্যাম্পিং করা যায়।
টিপস
আগে একটা ঘটনা ঘটার পর বনের কর্মকর্তা বাইরের ছেলেদের আদিবাসী পল্লিতে ঢুকতে মানা করে দিয়েছেন — বাইরে থেকে দেখুন, বা চেনা-শেনা কারও সাথে যান।
বনে রাত কাটাতে চাইলে রেস্ট হাউস আগেভাগেই বুক করুন।