Beauty Of BD
রূপসা সেতু — ছবি

রূপসা সেতু — ছবি — Refat 17 · CC BY-SA 4.0

গন্তব্য গাইড

রূপসা সেতু

Rupsha Bridge

খুলনার সবচেয়ে বিখ্যাত সন্ধ্যার ঠিকানা — রূপসা নদীর ওপর ১.৬ কিলোমিটার লম্বা সেতু, যার চারটা সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে ওঠা যায়। সূর্যাস্তের সময় নদীর ওপর সোনালি আলো আর সন্ধ্যায় সেতুর বাতির প্রতিচ্ছবি — যারা গিয়েছেন তারা প্রায় সবাই এই দৃশ্যের কথাই বলেন। খুলনার লোকে একে ভালোবেসে ‘গরিবের পদ্মা সেতু’ বলে মজা করেন।

৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য

ইতিহাস ও গুরুত্ব

জাপানের জাইকা সহায়তায় নির্মিত; ভিত্তিপ্রস্তর ২০০১ সালের মার্চে, উদ্বোধন ২১ মে ২০০৫। মূল সেতু ১.৬০ কিমি, সংযোগ সড়কসহ ৪.৮০ কিমি, প্রস্থ ১৬.৪৮ মিটার। খুলনাকে বাগেরহাট-মোংলার সাথে জোড়া এই সেতুকে অনেকে ‘খুলনার প্রবেশদ্বার’ বলেন।

কীভাবে যাবেন

শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে ইজিবাইকে জনপ্রতি ২৫ টাকা, শিববাড়ি থেকে সিএনজিতে ২০ টাকা (টাইগার পেস্ট মোড় নামে গিয়ে অটো)। সেতু পথচারীদের জন্য ফ্রি — গাড়ির টোল লাগে। ব্রিজের পাশের খেয়াঘাটে নৌকায় ওপারে যেতে জনপ্রতি ৬০ টাকা।

প্রবেশমূল্য

৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য

হেঁটে ওঠার জন্য টিকিট লাগে না — সিঁড়ি দিয়ে ফ্রি।

খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়

সারাদিন খোলা; বিকেল থেকে সন্ধ্যা সবচেয়ে ভালো সময়। সন্ধ্যার পর সেতুর ওপর প্রচুর ভিড় হয়।

ভালো সময়

বিকেল ৪টা-সন্ধ্যা ৭টা — সূর্যাস্ত আর আলোকসজ্জা দুটোই পাবেন। দুপুরে গরমে কষ্ট হয়।

টিপস

  • সেতুর নিচের খুলনা-পাশের নির্জন অংশ সন্ধ্যার পর এড়িয়ে চলুন — ভিড় সেতুর ওপরেই থাকে।

  • গাড়িতে থাকলে টোল লেনে ঢোকার আগেই সিদ্ধান্ত নিন — ভুল লেনে ঢুকলে টোল ছাড়া বের হওয়া যায় না।

  • খেয়াঘাটের সিঁড়ি ভেজা ও ভিড় থাকে — ট্রলারে ওঠার সময় সাবধানে।

অবস্থান

এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।