
সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক — ছবি — Owais Al Qarni · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক
Sitakunda Eco Park & Botanical Garden
বাংলাদেশের প্রথম ইকো পার্ক (২০০১) — বোটানিক্যাল গার্ডেন আর ইকো পার্ক একই কমপ্লেক্সে। পাহাড়ি পথ, বিরল প্রজাতির গাছ, অর্কিড হাউসে প্রায় ৫০ প্রজাতির অর্কিড, বানর-হানুমান-পাখি — আর এই পার্কের বুকেই সুপ্তধারা ও সহস্রধারা ঝর্ণা। সীতাকুণ্ড ঘুরতে এলে প্রায় সব প্ল্যানেই এটা থাকে।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
২০০১ সালে বন বিভাগ এটা প্রতিষ্ঠা করে — দেশের প্রথম ইকো পার্ক।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সায়েদাবাদ/গাবতলীর সীতাকুণ্ডগামী যেকোনো বাস; চট্টগ্রাম থেকে মদনবাড়ি/কদমতালী থেকে সীতাকুণ্ডের বাস। ঢাকা মেইল ট্রেন (রাত ১১টা, ভোর ৬-৭টা) সীতাকুণ্ড স্টেশনে থামে। গেট পর্যন্ত সিএনজিতে ৳১০০-১২০, রিজার্ভ করলে ৳১৫০। পুরো পার্ক ঘুরতে দিনভর সিএনজি রিজার্ভ ৳১২০০-১৫০০ (ঝর্ণাগুলোসহ)।
প্রবেশমূল্য
৳২০–৮০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
সিএনজিতে ঢুকলে ৳৮০, হেঁটে ঢুকলে ৳২০ — এক ভ্রমণকারীর হিসাব। আরেক দলের মতে ৳৫০-৬০, ছাত্র আইডি দেখালে ৳৩০। ভেতরের ঝর্ণাগুলোও একই টিকিটে।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
খোলা-বন্ধের সময় নিয়ে পাকা কিছু জানা যায়নি — ভোর থেকে বিকেলের মধ্যে ঘুরে আসাই ভালো।
ভালো সময়
জুন-নভেম্বর — ঝর্ণায় পানি থাকে। শীতে ঝর্ণা শুকনো হয়ে যায়, তবু গাছ-পাখির জন্য পার্ক ভালো লাগে।
টিপস
ভেতরে খাবার-পানি-টয়লেট সব আছে, পিকনিকের ব্যবস্থাও আছে।
সীতাকুণ্ড বাজারে থাকার মতো ভালো হোটেল নেই — অনেকেই বলেন, চট্টগ্রাম শহরে থেকে দিনভ্রমণ করে আসা ভালো।
সিএনজির ভাড়া দরদাম করুন — এক দল ভেতরের সিএনজির ভাড়া ৳১২০০ থেকে নামিয়ে ৳৩৬০-এ নিয়েছিল।