
সহস্রধারা ঝর্ণা — ছবি — Aklima Akter · CC BY-SA 4.0
গন্তব্য গাইড
সহস্রধারা ঝর্ণা
Sahasradhara Waterfall
নাম শুনে মনে হয় একটাই ঝর্ণা, কিন্তু জেলায় সহস্রধারা নামে দুটো — ভ্রমণকারীরাও গুলিয়ে ফেলেন। প্রথমটা সীতাকুণ্ড ইকো পার্কের ভেতরে, সুপ্তধারা পেরিয়ে পাহাড়ি পথের ওপাশে; রোদ উঠলে ঝর্ণার ছিটায় রংধনু দেখা যায় বলে অনেকে এটাই বেশি পছন্দ করেন। দ্বিতীয়টা সীতাকুণ্ড-মীরসরাই সীমানায় ছোট দরগার হাটে, বাঁধের লেক পার হয়ে — নৌকা লাগবে।
কীভাবে যাবেন
ইকো পার্কের ঝর্ণা: গেট থেকে পায়ে হেঁটে, সুপ্তধারা পেরিয়ে আরও ~২ কিমি। ছোট দরগার হাটের ঝর্ণা: সীতাকুণ্ড বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস ৳১৫ বা অটো ৳১০০ (গাড়ি ভর্তি), তারপর লেক পার হতে ট্রলার/নৌকা (দুমুখী ভাড়াসহ পুরো হিসাব নিচে)। অনেকেই ঢাকার মেইল ট্রেনের বদলে বাসে যেতে বলেন — এক ভ্রমণকারীর ট্রেনে ১০ ঘণ্টা লেগেছিল।
প্রবেশমূল্য
৳২০–৮০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
ইকো পার্কের টিকিটে প্রথম ঝর্ণাটা কভার হয়ে যায়। ছোট দরগার হাটের টিকিট ৳৮০ — ঢোকার ৳২০, নৌকার ৳৬০ (দুমুখী)। অনেকে বলেন লেকটা হেঁটে ৫-৭ মিনিটে পার হওয়া যায়, তবু নৌকার টাকা দিতেই হয় — 'সিন্ডিকেট' বলেও কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন। লাইফ জ্যাকেট দেয় কি দেয় না, দুই রকম কথাই আছে।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
নৌকার শেষ ফেরা বিকেল সাড়ে ৫টা; ফটক খোলে ভোর ৪:৩০-তে।
ভালো সময়
জুন-নভেম্বর, বিশেষ করে টানা দু-এক দিন বৃষ্টির পর। শীতে ওপরের জলধারাটা প্রায়ই শুকিয়ে থাকে।
টিপস
পাথরে পা রাখার নিয়ম — সাদা পাথরে পা রাখবেন, কালো পাথর পিচ্ছিল। গাইডদের এই কথাটাই মনে রাখুন।
রাস্তা দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে — বাঁদিকের পথ ধরতেই বেশিরভাগের পরামর্শ।
গেটের হোটেলে আগেই দুপুরের খাবার বলে রাখুন — ৳১০০-১৫০; না বললে বসে বসে অপেক্ষা করতে হবে।
বৃষ্টিতে খড়ি হঠাৎ ফুলে ওঠে — ঝুঁকিটা নিজের বুঝে যাবেন।
অবস্থান
এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।