গন্তব্য গাইড
টেকনাফ জিরো পয়েন্ট
Teknaf Zero Point
বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের একদম দক্ষিণ প্রান্ত — মেরিন ড্রাইভের ৮০ কিলোমিটার শেষ হয় এখানেই; পাহাড় এসে সমুদ্রে মিশেছে। অফিসিয়াল নাম শাপলা চত্তর, কিন্তু মুখে মুখে সবাই জিরো পয়েন্টই বলে। হোটেলমালিকরা নিজেদের সুবিধামতো 'জিরো পয়েন্ট' সাইনও টানিয়ে রাখেন — এটা জেনে রাখা ভালো। এখান থেকেই সেন্ট মার্টিন আর চেরা দ্বীপের জাহাজ ছাড়ে।
ইতিহাস ও গুরুত্ব
কাছেই মেজর সিনহা চেকপোস্ট আর তাঁর স্মৃতিস্তম্ভ — সীমান্ত অঞ্চলের ইতিহাসের অংশ। কোনো এক বর্ণনায় বড় মাছের হাটের কথা আসে — সমুদ্রের মাছ আর শুটকি শুকানোর স্টল সারি।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সরাসরি বাস — রিল্যাক্স পরিবহন (ফকিরাপুল) ৳১,০০০/সিট, রাত ৭:৩০-এ ছেড়ে ভোর ৭টায় পৌঁছে; সেন্টমার্টিন পরিবহন (আরামবাগ) নন-এসি ৳৯০০, এসি ৳১,৪০০-২,৫০০। কক্সবাজার থেকে সিএনজি/লেগুনা/লোকাল বাস; মেরিন ড্রাইভে বাইকে প্রায় ২ ঘণ্টা। ট্যুরিস্ট ক্যারাভ্যানে পুরো রাস্তা বিআরটিসি ৳৭৫০-১,০০০, প্রাইভেট ৳২,০০০-২,৫০০/জন।
প্রবেশমূল্য
৳০ · ভ্রমণকারীদের দেওয়া তথ্য
এখন সবার জন্য খোলা, কোনো টিকিট লাগে না; সমুদ্রের ভিউওয়ালা চেয়ার ভাড়া মেলে। পাশের হোটেলে লাঞ্চ প্যাকেজ ৳১৫০ — রূপচাঁদা, ইচ্ছেমতো ভাত, ডাল-আলুভর্তা-লেবু-শসা।
খোলা-বন্ধ ও ভালো সময়
নির্দিষ্ট সময় নেই — দিনের আলোতেই যান, দুপুরের রোদ কড়া।
ভালো সময়
শীত আর শরৎ সবচেয়ে ভালো; এ মৌসুমেই সেন্ট মার্টিনের জাহাজ নিয়মিত চলে।
টিপস
শুটকি আর মিয়ানমারি জিনিসপত্র টেকনাফ বাজারে সস্তা — ফেরার সময় কিনে নিন।
শহর থেকে দূরে, তাই শহরের সৈকতের চেয়ে ট্যুরিস্ট কম — জায়গাটা শান্ত থাকে।
অবস্থান
এই গন্তব্যের সঠিক স্থানাঙ্ক এখনো যাচাই করা যায়নি — তাই মানচিত্রে নির্দিষ্ট অবস্থান দেখানো হচ্ছে না।